বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা, কি কি ছিল?" বঙ্গবন্ধুর A to Z


 বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা, কি কি ছিল?"

ছয়দফা আন্দোলন #বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৬৬ সালে ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে #৬দফা দাবি পেশ করেন। ছয় দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য- পাকিস্তান হবে একটি Federal বা যৌথরাষ্ট্র এবং ছয় দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে এই Federation বা যৌথরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। পরবর্তীতে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর  A to Z



৬ দফা
1.       পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
2.       দফার মূল বক্তব্য ছিল প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে।
3.       পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে।
4.       সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে
5.       থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে।
6.       পূর্ব বাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন।



৬ দফা
1.       দ্বিতীয় দফা : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা:
2.       প্রথম দফা : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি:
3.       তৃতীয় দফা : মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা:
4.       চতুর্থ দফা : রাজস্ব কর ও শুল্ক বিষয়ক ক্ষমতা:
5.       পঞ্চম দফা : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা:
6.       ষষ্ঠ দফা : আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা:


৭ই জুন ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস। বাঙালির মুক্তির সনদ হচ্ছে এই ৬-দফা। ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব পেশের মাধ্যমে যেমনি পাক ভারত উপমহাদেশের জনগণ ব্রিটিশ শোষকদের এদেশ থেকে তাড়ানোর জন্য ঐক্যমত হয়েছিল, ঠিক তেমনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের এইদিনে ঘোষিত ৬-দফাকে তৎকালীন পূর্ববাংলার জনগণ পশ্চিমাদের এদেশ থেকে তাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

আইয়ুব খানের মার্শাল লশাসন, ‘৬২-এর শিক্ষানীতিসহ সকল অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং পূর্ব বাংলার জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজকের এইদিনে ৬-দফা ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে এই ৬-দফার প্রতিটি দফা বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে বাংলার জনগণের সামনে তুলে ধরেন।

বাংলার সর্বস্তরের জনগণ এই ৬-দফা সম্পর্কে যখন সম্যক ধারণা অর্জন করলো তখনই ৬-দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলো। আইয়ুব খানের পতন, ১৯৬৯ এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে জাতির জনকসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি আন্দোলনের প্রধান মনোবল ছিল এই ৬-দফা।

সর্বোপরি ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব বাংলার জনগণ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের একচেটিয়া রায় প্রদান করে বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফা বাস্তবায়নের লক্ষে।

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করার পরও পশ্চিম পাকিস্তানিরা যখন সরকার গঠনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য গড়িমড়ি শুরু করলো তখনই মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ভাষণের মাধ্যমে।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণেও ৬-দফার প্রতিটি দফার পর্যালোচনা ছিল। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকার বিভিন্ন সেক্টরের মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়েছিল ৬-দফার ভিত্তিতে।

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ৬-দফার ভূমিকা অপরিসীম। সেই কারণে প্রতি বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৭ জুন ৬-দফা দিবসকে যথাযোগ্য মর্যাদার পালন করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় ৬-দফার আলোকে পরিচালিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের (৭২-৭৫)-এর সোনার বাংলার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের রূপকল্প ২০২১’-এর মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ এবং রূপকল্প ২০৪১’-এর উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সমগ্র জাতির সাথে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ ও পালন করবে। এই উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ঐতিহাসিক ৬ দফা
প্রথম দফা : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সরকারের বৈশিষ্ট্য হবে Federal বা যুক্তরাষ্ট্রীয় ও সংসদীয় পদ্ধতির; তাতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক সভার নির্বাচন হবে প্রত্যক্ষ এবং সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে।প্রদেশগুলোকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক সভার প্রতিনিধি নির্বাচন জনসংখ্যার ভিত্তিতে হবে।

দ্বিতীয় দফা : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: কেন্দ্রীয় বা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের দায়িত্ব থাকবে কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক বিষয়ে সীমাবদ্ধ।অবশিষ্ট সকল বিষয়ে অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।

তৃতীয় দফা : মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা: পুর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দু'টি পৃথক মুদ্রা-ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা পারস্পরিকভাবে কিংবা অবাধে উভয় অঞ্চলে বিনিময়যোগ্য।এ ক্ষেত্রে দু'অঞ্চলে স্বতন্ত্র বা পৃথক পৃথক ষ্টেট ব্যাংক থাকবে এবং মুদ্রার পরিচালনা ক্ষমতা থাকবে আঞ্চলিক সরকারের হাতে। অথবা, এর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি মুদ্রা-ব্যবস্থা চালু থাকতে পারে এই শর্তে যে, একটি কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যার অধীনে দুই অঞ্চলে দুটি রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে। তাতে এমন বিধান থাকতে হবে যেন এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে সম্পদ হস্তান্তর কিংবা মূলধন পাচার হতে না পারে।বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্থান থেকে পশ্চিম পাকিস্থানে মূলধন পাচার বন্ধ করার জন্য সংবিধানে কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে।

চতুর্থ দফা : রাজস্ব কর ও শুল্ক বিষয়ক ক্ষমতা: সকল প্রকার রাজস্ব ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে।কেন্দ্রীয় তথা প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক বিষয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রয়োজনীয় রাজস্বের যোগান আঞ্চলিক তহবিল হতে সরবরাহ করা হবে। সংবিধানে নির্দেশিত বিধানের বলে রাজস্বের এই নির্ধারিত অংশ স্বাভাবিকভাবেই ফেডারেল তহবিলে জমা হয়ে যাবে। এহেন সাংবিধানিক বিধানে এমন নিশ্চয়তা থাকবে যে, কেন্দ্রীয় সরকারের রাজস্বের প্রয়োজন মেটানোর ব্যাপারটি এমন একটি লক্ষ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ হতে হবে যেন রাজস্বনীতির উপর নিয়ণ্ত্রন ক্ষমতা নিশ্চিতভাবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকে।

পঞ্চম দফা : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: পঞ্চম দফায় বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ে নিম্নরূপ সাংবিধানিক বিধানের সুপারিশ করা হয়: (ক) ফেডারেশনভুক্ত প্রত্যেকটি অঙ্গরাজ্যের বহির্বাণিজ্যের পৃথক পৃথক হিসাব রক্ষা করতে হবে। (খ) বহির্বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা অঙ্গরাজ্যগুলোর এখতিয়ারে থাকবে এবং অঙ্গরাজ্যের প্রয়োজন অঙ্গরাজ্য কর্তৃক ব্যবহৃত হবে। (গ) কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা সমান হারে অথবা সর্বসম্মতনির্দিষ্ট হারে অঙ্গরাজ্যগুলেআ মিটাবে। (ঘ) অঙ্গরাজ্যের মধ্যে দেশজ দ্রব্য চলাচলের ক্ষেত্রে শুল্ক বা করজাতীয় কোন বাধা থাকবে না। (ঙ) সংবিধানে অঙ্গরাজ্যগুলোকে বিদেশে নিজ নিজ বাণিজ্য প্রতিনিধি দল প্রেরণের এবং স্ব স্ব স্বার্থে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা দিতে হবে।

ষষ্ঠ দফা : আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: (ক) আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সংবিধানে অঙ্গরাজ্যগুলোকে স্বীয় কর্তৃত্বাধীনে আধা-সামরিক বাহিনী বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে। (খ) কেন্দ্রীয় সরকারের সকল শাখায় বা চাকরি ক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিট থেকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ করতে হবে। (গ) নৌ-বাহিনীর সদর দপ্তর করাচি থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তর করতে হবে

১। বঙ্গবন্ধু উপাধি> ২৩ফেব্রু ১৯৬৯সালে। তোফায়েল আহমেদ। রেসকোর্স ময়দানে।
২। জাতির জনক> ৩মার্চ ১৯৭১। আ, , আব্দুর রব। পল্টন ময়দানে
৩। রাজনীতির কবি(Poet of politics) > ৫ এপ্রিল ১৯৭২ সালে মার্কিন সাময়িকী> ‘নিউজ উইকম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধুর উপর একটি কভার স্টোরি করে।
৪। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি >> ২৬শে মার্চ ২০০৪ বিবিসির শ্রোতা জরিপে ২০তম সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় স্থান। ১৪এপ্রিল ২০০৮ সর্বকালের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
৫। পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি>৮জানু, ১৯৭২।
৬। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন >>> ১০জানুয়ারি ১৯৭২।
৭।আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার > ২২ ফেব্রু ১৯৬৯।
৮। বাঙালির মুক্তিসনদ বা বাঙালির ম্যাগনাকার্টা ৬দফা দাবি পেশ।> ৫-৬ফেব্রু ১৯৬৬।
৯।ছয় দফা দিবস> ৭জুন । কারণ ১৯৬৬ এইদিনে সালে শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করা হয় ও কারফিউ জারী করা হয়।
১০।বাংলাদেশ -এর নামকরণ করেন> ৫ডি: ১৯৬৯।
১১। আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন >> ২৩জুন ১৯৪৯।শেখ মুজিব যুগ্ন সম্পাদক।।মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয় ২২-২৩সেপ্টম্বর,১৯৫৫। । সম্পাদক হন ১৬নভে:১৯৫৩।
১২। শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের সভাপতি হন> ১৯৬৬।
১৩।বিশেষ ক্ষমতা তথা অস্থায়ী সংবিধান জারি করেন ১২ জানু, ১৯৭২।
/
১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু যে উপাধিগুলো পানঃ
.................................................
১।৩মার্চ পল্টন ময়দানে "স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ" কর্তৃক আয়োজিত সমাবেশে ওনাকে জাতির জনক ও বাংলাদশের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয়।
২।এপ্রিল মাসে "নিউজ উইক" ম্যাগাজিন ওনাকে "Poet of Politics" (রাজনীতির কবি) বলে আখ্যায়িত করে
৩।মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডে ওনার উপাধি ছিল "সুপ্রিম কমান্ডার অব দি আর্মড ফোর্সেস"।

=========== বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত ৪০টি প্রশ্ন =========

(১) অসমাপ্ত আত্মজীবনীবইটির লেখকের নাম কী?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
(২) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম কত সালে, কোথায়?
উত্তর: ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।
(৩) বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় কোন স্কুলে?
উত্তর: গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
৪) বঙ্গবন্ধু ম্যাট্রিক পাশ করেন কোন স্কুল থেকে, কত সালে?
উত্তর: গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে, ১৯৪২ সালে।
(৫) বঙ্গবন্ধু কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের বেকার হোষ্টেলের কত নম্বর কক্ষে থাকতেন?
উত্তর: ২৪ নম্বর কক্ষে।
(৬) বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন কীভাবে?
উত্তর: ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
(৭) বঙ্গবন্ধু কত সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সহকারী নিযুক্ত হন?
উত্তর: ১৯৪৬ সালে।
(৮) বঙ্গবন্ধু বিএ পাশ করেন কত সালে, কোন কলেজ থেকে?
উত্তর: ১৯৪৭ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে।
(৯) বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?
উত্তর: আইন বিভাগের।
(১০) বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কত সালে কেন বহিস্কৃত হন?
উত্তর: ১৯৪৯ সালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করায় তাঁকে বহিস্কার করা হয়।
(১১) বঙ্গবন্ধু জীবনে প্রথম কারাভোগ করেন কত সালে কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৩৯ সালে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ সভা করার কারণে তাঁকে কারভোগ করতে হয়।
(১২) ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেখানে কী পদ পান?
উত্তর: যুগ্ম সম্পাদক
(১৩) ১৯৫২ সালের কত তারিখে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন?
উত্তর: ১৪ ফেব্রুয়ারি।
(১৪) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কোন আসনে বিজয়ী হন?
উত্তর: গোপালগঞ্জ আসনে।
১৫) বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রীসভায় সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন?
উত্তর: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভায়।
(১৬) ১৯৬৪ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিত বিরোধী দল গঠন করা হয়। দলটির নাম কী?
উত্তর: কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি।
(১৭) বঙ্গবন্ধু মুজিব ছয়দফা ১ম কবে ঘোষনা করেন?
উত্তর: ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
(১৮) আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ৬ দফা গৃহীত হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ।
(১৯) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ছয়দফা ঘোষনা করেন?
উত্তর: ২৩ মার্চ ১৯৬৬
(২০) কোন প্রস্তাবের ভিত্তিতে ছয়দফা রচিত হয়?
উত্তর: লাহোর প্রস্তাব
(২১) ছয়দফার প্রথম দফা কি ছিল?
উত্তর: স্বায়ত্বশাসন
(২২) বাঙালি জাতির মুক্তির সনদহিসেবে পরিচিত কোনটি?
উত্তর: ছয় দফা।
(২৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল কত জন? বঙ্গবন্ধু কততম আসামী ছিলেন?
উত্তর: ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন ১ নং আসামী।
(২৪) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কী নামে দায়ের করা হয়েছিল?
উত্তর: রাষ্ট্রদ্রোহীতা বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য।
(২৫) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধুউপাধিতে ভূষিত করা হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।
(২৬) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধুউপাধি কে দেন?
উত্তর: তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
(২৭) কোথায় বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়?
উত্তর: রেসকোর্স ময়দানে।
(২৮) বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে বাংলাদেশনামকরন করেন কত সালে?
উত্তর: ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ ।
(২৯) বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ কোথায় দেন?
উত্তর: ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দি উদ্যোন নামে পরি চিতি।
(৩০) বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য কী ছিল?
উত্তর: এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
(৩১) বঙ্গবন্ধু কখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?
উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
(৩২) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত অস্থায়ী সরকারের বঙ্গবন্ধুর পদ কী ছিল?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদ ছিল রাষ্ট্রপতি।
(৩৩) বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান কবে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি।
(৩৪) বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরেন কবে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, যা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নামে পরিচিত।
(৩৫) বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি।
(৩৬) বঙ্গবন্ধু প্রথম নেতা হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেন কত সালে, কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।
(৩৭) বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হন কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট।
(৩৮) বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।
(৩৯) বঙ্গবন্ধুর ছেলেমেয়ে কত জন? তাদের নাম কী?
উত্তর: ৫ জন। তিন ছেলে দুই মেয়ে। শেখ হাসিনা, শেখ কামাল, শেখ রেহানা, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল
(৪০) বঙ্গবন্ধু জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে।
===========================
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে শহীদ হন?
-----------------------------------
ইংরেজি ১৫ অগাস্ট ১৯৭৫
বাংলা ২৯ শ্রাবণ ১৩৮২
আরবি ৮ শাবান ১৩৯৫
সেদিন শুক্রবার ছিল।
২১শে ফেব্রুয়ারী ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা কি ছিল বা তিনি কোথায় ছিলেন?
144 ভঙ্গকরলে তাঁকে জেলে যেতে হয়।
বঙ্গবন্ধুর শরীরে গুলি লেগেছিল কতটি?
১৮টি (৯-১০শ্রেণির বইয়ৈ)/২৯টি(সজীব ভাইভা/ওরাকল এ বই)?
বঙ্গবন্ধুকে কিভাবে গ্রেফতার করা হয়?
#অপারেশন_বিগ _বার্ড
How many times bangabandhu was arrested?
-- কোথাও ১৯ বার আবার কোথাও ২২ বার দেয়া আছে।১ম ১৯৩৮ সালে। /প্রশ্ন : জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কতবার গ্রেফতার হন?
১৯৩৮ সালে মার্চ- এপ্রিল প্রথম জেল হয় ৭ দিনের জন্যে (অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
১.১১ ই মার্চ১৯৪৮ শেখ মুজিব প্রথম গ্রেফতার হন
২.১৪ ই অক্টোবর ১৯৪৯ শেখ মুজিব ২য় বার গ্রেফতার হন।
৩.১১ ই অক্টোবর ১৯৫৮ শেখ মুজিব ৩য় বার গ্রেফতার হন।
৪.৬ ই ফেব্রুয়ারি ১৯৬২ শেখ মুজিব ৪র্থ বার গ্রেফতার হন।
৫.১৮ই জানুয়ারি ১৯৬৮ শেখ মুজিব ৫ম বার গ্রেফতার হন।
৬.২৬ মার্চ ১৯৭১ শেখ মুজিব ষষ্ঠ বার গ্রেফতার হন।
-
এগুলো উল্লেখ যোগ্য এছাড়াও অসংখ্যবার তিনি গ্রেফতার হন । কোথাও কোথাও ৩১বারের উল্লেখ আছে।
Bangladesh a nibondhito freedom fighters kotojon eder modhey nari freedom fighters kotojon ?
--204929. Women 203 Jon . সম্প্রতি ৪১জন বীরঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয । মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স > ১৩বছর।
/
1971 মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর পরিবার কোথায় ছিল?
-- প্রথমে প্রতিবেশী মোশারফ হোসেন এর বাড়িতে, এরপর মগবাজার এ জনৈক মহিলার ফ্লাটে এবং সবশেষে ১৮ নম্বর রোডে...
বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভায় ২ জন নারী মন্ত্রী ছিলেন,,,,,
১. বদরুন নেছা আহমেদ- শিল্প প্রতিমন্ত্রী
২.বেগম নুরজাহান মোশের্দ - শ্রম প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার পলাতক আসামী ও বর্তমান অবস্থান :
১. কর্নেল ( অব) খন্দকার রশীদ = লিবিয়া
২. লে. কর্নেল ( অব) শরিফুল হক ডালিম = কানাডা
৩. লে. কর্নেল এম এ রাশেদ চৌধুরী = দক্ষিণ আফ্রিকা
৪. মেজর ( অব) নুর চৌধুরী = USA
৫. রিসালাদার মোসলেহ উদ্দিন = USA
৬. ক্যাপ্টেন ( অব) আবদুল মাজেদ = কেনিয়া।
কেন শেখ মুজিবকে ১৯৭২সালে শান্তিতে জুলিও কুরি পুরস্কার দেওয়া হয় ?
.
-বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতাকে ১৯৭২ সালে ১০ অক্টোবর জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
=================
বঙ্গবন্ধুর >> নিউক্লিয়াস
----------------------
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতির মুক্তি জন্য বঙ্গবন্ধু ভিতরে ভিতরে ১৯৬২সালে তাঁর অনুগত কিছু ছাত্রনেতাদের নিয়ে েএকটি সংগঠন গোপনে প্রতিষ্ঠা যাকে নিউক্লিয়াস বলে । ছাত্রদের নেতাদের মধ্যে ছিলেন
১. সিরাজুল আলম খান
২. তোফায়েল আহমেদ
৩. ফজলুল হক মনি
৪.আব্দুর রাজ্জাক
৫.কাজী আরিফ
৬.মনিরুল ইসলাম (মার্শাল মনি) ও আরো কয়েকজন ।
বঙ্গবন্ধু নিউক্লিয়াসের সদস্যদের নিজের সন্তানদের মতোই আদর করতেন । নিউক্লিয়াসের প্রচেষ্টায় ১৯৬৪সালে বাংলাদেশ স্বাধীন করার কথা প্রচারে আসে। িএবং স্লোগান আসে বীর বাঙালি অস্ত্র ধর , বাংলাদেশ স্বাধীন কর ।
.
বঙ্গবন্ধুর >>>>> ৪খলিফা
----------------------------------
নিউক্লিয়াসের কর্মসূচি এগিয়ে নেয়ার জন্য ৪জন ছাত্রনেতাকে দায়িত্ব দেয়া হয় তারা হলেন
১. তত্কালীন ছাত্রলীগের সভাপতি >>> নূর আলম সিদ্দিকী
২. তত্কালীন ছাত্রলীগের সা. সম্পাদক >>>শাহাজান সিরাজ
৩. ঢা.বি ছাত্রসংসদের নির্বাচিত ভিপি >>> , স. ম , আব্দুর রব
৪. ঢা.বি ছাত্রসংসদের নির্বাচিত জি, এস >>>আব্দুল কুদ্দুস মাখন.
মুজিব ব্যাটারি
.------------
-
স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামানুসারে ১৯৭১সালের ২২জুলাই ভারতের কোনাবনে গঠন করা হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম গোলন্দাজ ইউনিটমুজিব ব্যাটারি
.
.
মুজিব বাহিনী
১৯৭১সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় শুধু ছাত্রদের নিয়ে গঠিত মুক্তিবাহিনীকে বলা হয় মুজিব বাহিনী
=================== প্রশ্ন:১৯৭৫সালের ১৫ই আগস্ট মোট কতজন নিহত হন?
----পরিবারের সদস্য ১৬ জন (বঙ্গবন্ধু সহ) । আর নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন। মোট ১৭ জন
বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো
--অপারেশন বিগ বার্ডএর মাধ্যমে ।'
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত বই:
১. শেখ মুজিব আমার পিতা = প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
২. মুজিব ভাই = এবিএম মুসা
৩. বঙ্গবন্ধুর সহজ পাঠ = আতিয়ার রহমান
৪. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাঙালী = কামাল উদ্দিন আহমেদ
৫. দেয়াল ( উপন্যাস) = হুমায়ুন আহমেদ
৬. বঙ্গবন্ধু জাতি রাষ্টের জনক = প্রত্যয় জসিম
৭. জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান =সিরাজ উদদীন আহমেদ
8. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
৯. জনকের মুখ (গল্পগ্রন্থ)
অসমা্প্ত আত্মজীবনী অনুবাদ
. ,=================
১। চীনা ভাষায় ‘‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’’ গ্রন্থটির অনুবাদক >>> চাই সি
২। জাপানী ভাষায় ‘‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’’ গ্রন্থটির অনুবাদক >>> কাজুহিরো ওয়াতানাবে
৩। ইংরেজি ভাষায় ‘‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’’ গ্রন্থটির অনুবাদক >>> ফকরুল আলম
৪।আরবিতে অনুবাদ করেন প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, এম পি
৫। হিন্দি (প্রস্তাবিত
৬। স্প্যানিশ((প্রস্তাবিত
---------------------------
"অসমাপ্ত আত্নজীবনী" সম্পর্কে কিছু তথ্য।
বইয়ের নামঃ
বাংলায় - অসমাপ্ত আত্নজীবনী।
ইংরেজীতে- Unfinished Memoirs.
প্রথম প্রকাশঃ ২০১২।
প্রকাশকঃ মহিউদ্দিন আহমেদ, দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
প্রচ্ছদঃ সমর মজুমদার।
Description: ♦রচনাকালঃ ১৯৬৬ - ৬৯।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায়।গ্রন্থটিতে বঙ্গবন্ধু ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ওনার আত্নজীবনী লিখেছেন।
Description: ♦আত্নজীবনীটি প্রকাশে যাঁরা নিরলসভাবে কাজ করেছেনঃ
শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, আবদুর রহমান রমা, মনিরুন নেছা, ইতিহাসবিদ প্রফেসর এ এফ সালাহউদ্দীন আহমেদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর শামসুল হুদা হারুন, অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, বেবী মওদুদ।
Description: ♦ভূমিকা লিখেনঃ
শেখ হাসিনা।প্রথমবার ২০০৭ সালে কারাবন্দী অবস্থায়, পরবর্তিতে ২০১০ সালে গণভবন থেকে।
Description: ♦বইটির প্রথম লাইনঃ "বন্ধুবান্ধবরা বলে তোমার জীবনী লেখ"।
Description: ♦শেষ লাইনঃ "তাতেই আমাদের হয়ে গেল"।
Description: ♦বঙ্গবন্ধুর লেখা আত্নজীবনীর ৪ খানা খাতা শেখ হাসিনার হাতে আসেঃ
বঙ্গবন্ধুর মহাপ্রয়াণের ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার পর পরই।
Description: ♦বঙ্গবন্ধু ওনার বাংলার মানুষদের একটি বিশেষণে বিশেষায়িত করতেন, সেটি হলঃ "দুঃখী মানুষ"।
Description: ♦অনুবাদঃ বইটি ইতোমধ্যে ৪ টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে।এগুলো হল--
১।ইংরেজী। অনুবাদক - মোঃফকরুল আলম।
২।জাপানি।অনুবাদক - কাজুহিরো ওয়াতানাবে।
৩।আরবী। অনুবাদক - প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী।
৪।চীনা।অনুবাদক - চাই সি।
এছাড়াও খুব শিঘ্রই হিন্দী ও স্প্যানিশ ভাষায় অনুদিত হবে।
Description: ♦বইটিতে যা আছেঃ
আত্নজীবনী লেখার প্রেক্ষাপট, বংশ পরিচয়, শৈশব, শিক্ষাজীবন, দুর্ভিক্ষ, বিহার ও কলকাতার দাঙ্গা, দেশভাগ, প্রাদেশিক মুসলিম ছাত্রলীগ ও মুসলিম লীগের রাজনীতি, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক মুসলিম লীগের অপশাসন, ভাষা আন্দোলন, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা, যুক্তফ্রন্ট সরকার, আদমজীর দাঙ্গা, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের বৈষম্যমূলক শাসন।এছাড়াও আছে লেখকের কারাজীবন, পিতা মাতা, সন্তান সন্ততি ও সর্বোপরি সর্বংসহা সহধর্মিণীর কথা।
Description: ♦বঙ্গবন্ধুকে বলা ওনার পিতার উক্তিঃ "Sincerity of purpose and honesty of purpose".
Description: ♦বঙ্গবন্ধুর মা শেরে বাংলাকে উদ্দেশ্য করে ওনাকে বলেনঃ
"বাবা যাহাই কর, হক সাহেবের বিরুদ্বে বলিও না"।
Description: ♦শেরে বাংলা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর উপলব্ধিঃ "শেরে বাংলা মিছামিছিই শেরে বাংলা হন নাই।বাংলার মাটি ও তাঁকে ভালবেসে ফেলেছিল।যখনই হক সাহেবের বিরুদ্ধে কিছু বলতে গেছি, তখনই বাধা পেয়েছি"।
Description: ♦বঙ্গবন্ধু শেরে বাংলাকে নানা বলে ডাকতেন।বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে শেরে বাংলার উক্তিঃ
"আমি বুড়া আর মুজিব গুড়া, তাই ওর আমি নানা ও আমার নাতি"।
Description: ♦হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে উদ্দ্যেশ্য করে বঙ্গবন্ধুর অভিমানী উক্তিঃ
"If I am nobody, then why have you invited me? You have no right to insult me.I will prove that I am somebody. Thank you sir. I will never come to you again".
Description: ♦বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা কে ডাকতেনঃ হাচু।
Description: ♦পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠনের সময় অলি আহাদের প্রস্তাব ছিল, এর নামকরন "পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ" করা হোক।
Description: ♦যাদের গান শুনে বঙ্গবন্ধু মুগ্ধ হয়েছিলেনঃ
আব্বাসউদ্দিন আহমেদ, সোহরাব হোসেন, বেদারউদ্দিন সাহেব।

১. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন কে? উঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
২. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কি? উঃ বঙ্গোপসাগরের একটি খাদ।
৩. গ্যাসের চাপ নির্ধারণ যন্ত্রের নাম কি? উঃ ম্যানোমিটার।
৪. ব্লগিং এর জনক কে? উঃ ইভান উইলিয়ামস।
৫. ইন্টারপোলের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত? উঃ লিঁও, ফ্রান্স।
৬. কোন দেশে গনতন্ত্রের জন্ম হয়েছিলো? উঃ গ্রিস।
৭. বরেন্দ্র মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত? উঃ রাজশাহী।
৮. কোন প্রণালী এশিয়া মহাদেশকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে? উঃ বসফরাস প্রণালী।
৯. বরেন্দ্রভূমি বলা হয় কোন অংশকে? উঃ রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে।
১০. গোধূলির কারণ কি? উঃ বিক্ষেপণ।
১১. ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে কবে? উঃ ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
১২. সমুদ্র বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয় কোন সময়? উঃ অপরাহ্নে।
১৩. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলাদেশি সভাপতি কে? উঃ হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
১৪. উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন? উঃ লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
১৫. কোন ভাষা থেকে "Education" শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে? উঃ লাতিন।
১৬. ম্যাকাও কোন দেশের উপনিবেশ ছিল? উঃ পর্তুগাল।
১৭. দক্ষিণ সুদানের রাজধানী কি? উঃ জুবা।
১৮. নজরুল মঞ্চ কোথায় অবস্থিত? উঃ বাংলা একাডেমিতে।
১৯. অং সান সুচির রাজনৈতিক দলের নাম কি? উঃ ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি।
২০. বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা কে? উঃ ডব্লিউএএস ওডারল্যান্ড।
২১. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে? উঃ ১৯৫২ সালে।
২২. রাশিয়ার মুদ্রার নাম কি? উঃ রুবল।
২৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে? উঃ পি জে হার্টজ।
২৪. যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কি বলে? উঃ নিয়ত বায়ু।
২৫. সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্রের নাম কি? উঃ সেক্সট্যান্ট।


No comments

Thank you for stay with us.

Powered by Blogger.